গ্রামীণফোনের সর্বনাশ, রবির পৌষমাস

কথায় আছে কারো পৌষ মাস তো কারো সর্বনাশ ঠিক তার বাস্তব উদাহরণ যেন দেশে দুই শীর্ষ মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন ও রবির মধ্যে দেখা গিয়েছে।

মূলত গ্রাহকদের মানসম্মত সেবা দিতে না পারায় দেশের শীর্ষ মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোনের সিম বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন,

বিটিআরসি। নতুন সিম বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞার খবরে পুঁজিবাজারে দেশের শীর্ষ এই মোবাইল অপারেটরটির শেয়ার দর পড়ে গেছে। গত বুধবার প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারের সমাপনী দার ছিল ৩০০ টাকা ১০ পয়সা।

বৃহস্পতিবার ৬ টাকা কমে ২৯৪ টাকা ১০ পয়সায় নেমে আসে। আগের সপ্তাহের মতো চলতি সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববারও লেনদেন শুরু হতেই গ্রামীণফোনের বিপুল শেয়ার বিক্রির চাপ পরিলক্ষিত হয়।

এতে শেয়ারের দর সর্বনিম্ন সীমায় নেমে আসে। ৫.৮ টাকা কমে ২৮৮ টাকা ৩০ পয়সায় ১ লাখ ২৮ হাজার ৩২৫টি শেয়ার বিক্রির আদেশ আসে।

বিপরীতে ক্রয় আদেশের ঘর শূন্য থাকে। সবশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী দিনের সর্বনিম্ন দরে গ্রামীণফোনের ৫২ হাজার ৭৪৭টি শেয়ার বিক্রি হয়েছে। গ্রামীণফোনের ওপর নিষেধাজ্ঞার দরুন অন্য কোম্পানিগুলোর নতুন সিম বিক্রি, গ্রাহক বাড়বে, এমনটাই মনে করছিলেন খাত সংশ্লিষ্টরা। এরমধ্যেই এর প্রতিফলন ঘটতে দেখা গেছে পুঁজিবাজারে। গ্রামীণফোনের শেয়ারের দাম কমলেও, দাম বেড়েছে গ্রাহক পর্যায়ে দ্বিতীয় স্থানে থাকা মোবাইল অপারেটর রবির। আজ দাম বাড়ার শীর্ষে ছিল রবি আজিয়াটা লিমিটেড। শেয়ার প্রতি দাম বেড়েছে ৩ টাকা। রবির আজ ৫৮ লাখ ২০৩টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। শেয়ার প্রতি সর্বশেষ লেনদেন হয় ৩৩ টাকা ১০ পয়সা।

২০০৯ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া গ্রামীণফোন বাজার মূলধনের হিসেবে পুঁজিবাজারের সবচেয়ে বড় কোম্পানি। লেনদেনযোগ্য শেয়ারের সংখ্যাও সবচেয়ে বেশি। স্বাভাবিকভাবেই সার্বিক সূচকে গ্রামীণফোনের বড় ধরনের প্রভাব থাকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.