আবেগে আপ্লুত হয়ে পদ্মা সেতুতে চুম্বন করলেন এমপি অপু!

নিউজ ডেক্স: দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থাকে সহজ করে দিয়েছে স্বপ্নের পদ্মা সেতু। গত ২৫ জুন এই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের পরে দেশবাসীকে

সবচেয়ে বড় উপহারই যেনো দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর সেজন্যই প্রধানমন্ত্রীকে শ্রদ্ধা জানিয়ে পদ্মা সেতুতে ওঠার আগ মুহূর্তে সড়কে চুম্বন করেছেন শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয়

আওয়ামী লীগের সদস্য ইকবাল হোসেন অপু। সোমবার (২৭ জুন) রাত থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এমন কিছু ছবি ছড়িয়ে পড়ে। ছবিতে এমপি ইকবাল হোসেন অপুর সঙ্গে সেতুতে চুম্বন খান তার কর্মী

কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ উপকমিটির সাবেক সহসম্পাদক মুজাফফর জমাদ্দারসহ আরও একজন। এ ছাড়া পেছনে কয়েকজনকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। জানা গেছে, সোমবার (২৭ জুন) রাত সাড়ে ১০টায় পদ্মা সেতুর

উদ্বোধনের পর প্রথম সেতু দিয়ে ঢাকা যাওয়ার সময় শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের টোল প্লাজায় ঢোকার আগে গাড়ি থেকে নেমে পদ্মা সেতুর সড়কে চুম্বন খান অপু। পরে কর্মীদের নিয়ে দুই হাত তুলে মোনাজাত করতে দেখা যায়।

ফেসবুকে এম নুর হোসেন নয়ন নামে একজন লিখেছেন, আজ জননেতা ইকবাল হোসেন অপু এমপি মহোদয় পদ্মা সেতু পার হওয়ার সময় টোল দেওয়ার আগমুহূর্তে রাস্তায় নেমে চুমু খেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা সুমন পাহাড় জানান, আমাদের শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপু ভাই করোনা আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী শরীয়তপুরে তার নিজবাড়িতে ছিলেন।

পদ্মা সেতু উদ্বোধনে জনসভায় যোগদানের জন্য করোনা টেস্ট করালে রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এ জন্য তিনি উদ্বোধনীর জনসভায় অংশগ্রহণ করতে পারেননি। পরে আবার করোনা টেস্ট করালে সোমবার (২৭ জুন) তার করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। তাই তিনি স্বপ্নের পদ্মা সেতু পার হয়ে ঢাকায় গেছেন।

সাংসদ ইকবাল হোসেন অপু বলেন, দেশের ১৭ কোটি মানুষের স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের সেই বহুল কাঙ্ক্ষিত স্বপ্নের পদ্মা সেতু পার হতে এসে আমি আবেগে আপ্লুত হয়ে যাই। গর্বে আমার বুকটা ভরে যায়। শত বাধা ষড়যন্ত্র আর দুষ্কৃতকারীদের চোখরাঙানি উপেক্ষা করে

বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা নিজের টাকায় স্বপ্নের পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন করেছেন। তিনি আরও বলেন, এই আনন্দের ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। তাই আমি সেতুতে ওঠার আগেই সড়কে চুম্বন করেছি এবং মহান আল্লাহর কাছে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীসহ তার পরিবার এবং শহীদদের জন্য দোয়া করেছি। আমি কৃতজ্ঞতার ভাষা খুঁজে পাচ্ছিলাম না।

Leave a Reply

Your email address will not be published.