আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী সম্পর্কে আশ্চর্যজনক তথ্য দিলেন রিকশাচালক

সংবাদ: সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে এক ব্যক্তি ও রিকশাচালকের কথপকথনের একটি স্ট্যাটাস যা পাঠকদের উদ্দেশ্যে হুবহু তুলে ধরা হলো…

সেই ভদ্রলোক জানিয়েছেন, আমার একটা অভ্যাস আছে, সাধারণত আমি রিকশায় উঠলে রিক্সার ড্রাইভার কে তার নাম ঠিকানা বাড়ি কোথায় জিজ্ঞাসা করি, এটা আমি প্রায়ই করি, গতকালকে আসছিলাম একটা রিক্সায় করে,

ড্রাইভারকে জিজ্ঞেস করলাম ভাই আপনার বাড়ি কোথায়? সে ঘাড় ঘুরিয়ে আমার দিকে তাকালো এবং বলল বাড়ি ফিরোজপুর, জিজ্ঞাসা করলাম পিরোজপুরে কোথায়? বলে ইন্দুরকানী,

তারপর আমি জিজ্ঞেস করলাম জিয়ানগর ইন্দুরকানী? সে আমাকে প্রশ্ন করে আপনি কিভাবে চিনেন, আমাদের এলাকার নাম গুলো কিভাবে জানেন পিরোজপুর গিয়েছিলেন? আমি উত্তর দিলাম,

বাংলাদেশে পিরোজপুর এর জিয়ানগর ইন্দুরকানীর নাম জানেনা নাম শুনে নাই এরকম মানুষ খুব কম পাওয়া যাবে! তারপর আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম বলুনতো কেন আপনার এলাকার নাম আমরা জানি?

সে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললো এবং বল্লো, আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী সাহেবের কারণে আপনারা চিনেন। আমি জিজ্ঞেস করলাম আপনার বাড়ি কি ওখানেই উনার এলাকায়? সে উত্তর দিল আমরা একই ইউনিয়নের লোক, তারপর আমি উনাকে জিজ্ঞাসা করলাম উনি কি আসলেই রাজাকার ছিলেন? সে আমাকে উত্তর দিল ভাই এটা আপনি কি বলেন! উনার মত মানুষ রাজাকার হতে পারে? এবং সে বলল উনার ছেলের উপজেলা ইলেকশনে ভোট করার কারণে আজকে ৮\৯ বছর আমি গ্রাম ছাড়া, বউ বাচ্চা নিয়ে ঢাকায় থাকি, এলাকায় যেতে পারিনা অনেক কষ্টে দিনাতিপাত করছি কিন্তু তারপরেও আমার মনে একটুও কষ্ট নেই! তার কথা শুনে আশ্চর্য হলাম! আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম বাড়ি কি যাওয়া হয় মাঝে মাঝে? সে বলল মাঝে মাঝে যাই কিন্তু থাকতে পারি না, বললাম কেন থাকতে পারেন না? বললো আমার নাম এবং আমার ছেলের নামে মামলা দেয়া আছে, কখন পুলিশে ধরে নিয়ে যায় এই ভয়ে বাড়িতে থাকতে পারিনা। এবং বলল সে গরীব নয় এলাকায় তার চার বিঘা জমি আছে কিন্তু পরিস্থিতির কারণে ঢাকায় এসে এখন রিকশা চালাতে বাধ্য হচ্ছে কিন্তু তারপরও তার মনে কোন কষ্ট নেই ,সে বলল একদিন পরিস্থিতি ঠিক হয়ে যাবে সব স্বাভাবিক হয়ে যাবে তখন আবার দেশে যাবে নিজের জমি চাষ করবে। এবং তার ভিতর আমি এক অদ্ভুত শক্তি দেখতে পেলাম ,আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম রিকশার প্যাডেল মেরে মেরে তোর শরীরের সব শক্তি শেষ করে দিচ্ছেন সে উত্তর দিল রিকশার প্যাডেল মেরে নিজের শরীরকে শক্ত করে ধরে রাখছি, সময় আসলে এই তামাটে শরীর নিয়ে বাতিলের বিরুদ্ধে গর্জে উঠবো ইনশাআল্লাহ।

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *