নিউ লাইফ, সবার কাছে দোয়া চাইলেন অপু বিশ্বাস

বিনোদন: ঢালিউড কুইন অপু বিশ্বাস। দীর্ঘ দেড় যুগ ধরে সিনেমায় কাজ করছেন তিনি। একটা সময় ইন্ডাস্ট্রির শীর্ষ নায়িকা হিসেবে তুমুল ব্যস্ত সময় পার করেছেন।

মাঝে কিছুটা বিরতি দিয়ে এখন আবারও সিনেমায় নিয়মিত হয়েছেন। ২০২১-২২ অর্থবছরের ‘লাল শাড়ি’ সিনেমার জন্য সরকারি অনুদান পেয়েছেন অপু বিশ্বাস।

গত বুধবার (২০ জুলাই) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অপু বিশ্বাসের হাতে অনুদানের ৬৫ লাখ টাকার চেক তুলে দেন সচিব। এদিন অনুদান পাওয়া অন্যদের হাতেও চেক তুলে দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে অনুদানের চেক হস্তান্তরের কিছু ছবি পোস্ট করেছেন অপু বিশ্বাস। ক্যাপশনে লেখেন, ‘নিউ জার্নি, নিউ লাইফ, সবার কাছে দোয়া চাই।’

ঢালিউড কুইন আরও লিখেছেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই বাংলা চলচ্চিত্রের পাশে থাকার জন্য। আশা করি, সব সময় এভাবেই আপনাকে বাংলা চলচ্চিত্রের পাশে পাব। জয় হোক বাংলা চলচ্চিত্রের।’

প্রসঙ্গত, গত ১৫ জুন একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২০২১-২২ অর্থবছরের অনুদানপ্রাপ্ত সিনেমাগুলোর নাম প্রকাশ করা হয়। এ বছর মোট ১৯টি সিনেমাকে অনুদান দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ‘লাল শাড়ি’। এই সিনেমার প্রযোজক চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। সিনেমাটি পরিচালনা করবেন বন্ধন বিশ্বাস।

কাঠের বাক্স ঘাড়ে নিয়ে ঘন্টি বাজায় মন্টু। বাক্স ভরা মালাই আইস্ক্রিম। নারকেল মেশানো লাল, সাদা, সবুজ, কমলা, আইস্ক্রিম খেতে ছুটে আসে ছোট-বড় সবাই। উঠানজুড়ে মা, খালা, বউ, ঝি-দের আসর বসে আইস্ক্রিম কেনার। সবার চোখ কাঠের বাক্সের দিকে। এই একটি চিত্রকল্পের মাধ্যমে ভেসে ওঠে ৯০ দশকের চিরায়ত গ্রাম বাংলার বড় অংশ। আর সেই গল্পটিকেই এবার পর্দায় তুলে আনছেন নাট্যকার-নির্মাতা হিমু আকরাম। এমন অসাধারণ প্লট নিয়ে একটি দীর্ঘ ধারাবাহিক হতেই পারতো, তবে আপাতত হলো টেলিছবি। নাম ‘আইস্ক্রিমওয়ালা’।

সম্প্রতি ঢাকার অদূরে পুবাইলের বিভিন্ন স্থানে ‘আইস্ক্রিমওয়ালা’র শুটিং শেষ হয়েছে। এতে আইস্ক্রিমওয়ালা মন্টু চরিত্রে অভিনয় করেছেন আরফান আহমেদ। এছাড়াও বিভিন্ন চরিত্রে আরও আছেন সালাহউদ্দিন লাভলু, সামিয়া, নরেশ ভুইয়া, সম্পা নিজাম, আহমেদ নেওয়াজ, তামি রহমান, রাজু প্রমুখ। সালাহউদ্দিন লাভলু বলেন, ‘আইসক্রিমওয়ালা নাটকে অতিথিশিল্পী হিসেবে কাজ করেছি। হিমু আকরামের গল্প আমাকে সবসময় টানে। এই নাটকে আইসক্রিমওয়ালা মন্টুর প্রতিপক্ষ আমি। মন্টুর প্রেমিকা জবাকে বিয়ে করি, বয়সে তিনগুন ছোট হলেও! পাত্রী দেখা, নৌকায় করে বউ নিয়ে বাড়ি ফেরা,নানান আয়োজনে ভরপুর ছিলো নাটকটি। সব মিলিয়ে চরিত্রটি বেশ মজার। আগে গ্রামের বাস্তবতাও ছিল এমনই। এই টেলিছবির মাধ্যমে দর্শকরা অন্য একটি গল্প পাবেন। যে গল্পটির মধ্য দিয়ে অসংখ্য মানুষ বড় হয়েছেন, তবে এভাবে ভাবেননি কখনও। যে গল্পটির হাত ধরে দর্শকরা ফিরে যাবেন ফেলে আসা নব্বই দশকে, গ্রামে কিংবা শৈশব-কৈশোরে।’

অন্যদিকে আরফান আহমেদ বলেন, ‘অনেকদিন পর একটা মনের মতো চরিত্রে কাজ করতে পেরেছি। গল্পে ৯০ দশক বুঝানোর জন্য পরিচালক হিমু আকরাম সব আয়োজনই করেছেন। তখনকার সময়ের আইসক্রিমের বাক্স, হ্যাজাক বাতি, হারিকেন, নৌকা- কোনকিছুর কমতি রাখেননি। একটি মাত্র দৃশ্যের ইমোশন তৈরি করার জন্য কৃত্রিম বৃষ্টির আয়োজনও করেছিলেন। বর্তমান সময়ের নাটকে এমনটা কেউই করে না। সব মিলিয়ে আইসক্রিমওয়ালা একটা মনে রাখার মতো কাজই হবে। এদিকে নির্মাতা-নাট্যকার হিমু আকরাম বলেন, ‘এক কথায় আমাদের ফেলে আসা জীবনের গল্প এটি। আমি শুধু চেষ্টা করেছি তথ্যপ্রযুক্তির যুগে দর্শকদের খানিক সময়ের জন্য অতীতে ফিরিয়ে নিতে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.