মেয়র আইভীর বিরুদ্ধে আ.লীগ নেতার মামলা

নিউজ ডেষ্ক- নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম শহীদুল্লাহ নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের

মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে বিবাদী করে মামলা দায়ের করেছেন৷ তিনি নিজ বসতঘরের সীমানা ভাঙচুরের অভিযোগ এনে মেয়রকে বিবাদী করে আদালতে

ওই মামলা করেন। এতে মেয়র, জেলা প্রশাসক সহ ১৬জনকে বিবাদী করা হয়েছে। আদালত মামলার আর্জি গ্রহণ করে মেয়রসহ সকলকে শোকজ করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) দুপুরে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এম শহীদুল্লাহ এবং স্ত্রী দেলোয়ার বেগমের পক্ষে তাদের ছেলে অ্যাডভোকেট শাহ মো. আলমগীর কবির বাদী হয়ে

নারায়ণগঞ্জ ১ম যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ এস এম মাসুদ জামানের আদালতে এই মামলা দায়ের করা হয়। অ্যাডভোকেট শাহ মো. আলমগীর কবির বলেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নিজস্ব সার্ভেয়ার দিয়ে নিজেদের ইচ্ছামতো

কয়েকদিন পরপরই পাইকপাড়া বড় কবরস্থান এলাকার ৬ শতাংশ জমির সীমানা ঘেঁষে নিমাণাধীন বসতবাড়ি ভাঙচুর সহ নানা কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। আমরা চাই এই বিষয়টি যেন আদালতের মাধ্যমে সমাধান করা হয়। আদালত যা আদেশ দিবে আমরা সেটাই মেনে নিবো। কিন্তু তাদের একতরফা সিদ্ধান্ত আমরা মেনে নিতে পারি না।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ নেতা শহীদুল্লাহ বলেন, ‘আমার চাওয়া ছিল তাদের (সিটি করপোরেশন) সার্ভেয়ার ও আমার পক্ষের একজন সার্ভেয়ার আনার অনুমতিটা শুধু যেন দেওয়া হয়।একতরফা মাপ আমি কেমন করে গ্রহন করতে পারি। আমার জায়গা,আমার সীমানা নির্ধারণ করার রাইট (অধিকার) কি আমি পেতে পারিনা। সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা আর ঠিকাদারের ব্যবহার আমাকেসহ পরিবারের সবাইকে সীমাহীন কষ্ট দিয়েছে। একটি বসতবাড়ির পাকা স্হাপনা কী করে এক-দুই দিনে ভেঙে ফেলা যায়। তারা বলে তাদের ভেকু দিয়ে ভেঙে গুড়িয়ে দিবে।এখানেই আমি বেশি কষ্ট পেয়েছি,ভীষণ আঘাত পেয়েছি। অতঃপর আমার এ্যাডভোকেট সন্তান মামলাতে গিয়েছে।’

প্রসঙ্গত, নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি ও মেয়র আইভীর ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিতি রয়েছে এম শহীদুল্লাহর৷ তারা দুজনেই জেলা আওয়ামী লীগের একই কমিটির পদধারী। এবারের সিটি নির্বাচনেও তাকে আইভীর পাশে সার্বক্ষণিকভাবে দেখা গেছে। এছাড়া ২০১৭ সালে হকার ইস্যুকে কেন্দ্র করে আইভীর উপর হামলা হলে আইভীর পাশে থাকা শহীদুল্লাহও আহত হন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.