দুই ছিনতাইকারীকে ধরে ‘শায়েস্তা’ করলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী

কারওয়ান বাজারে জ্যামে বাস আটকে রয়েছে, ধীরগতিতে যাচ্ছে। একটি বাসে বসেছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া এক তরুণী।

হঠাৎ ছোঁ মেরে জানালা দিয়ে তাঁর মোবাইলটি নিয়ে যায় এক ছিনতাইকারী। সাথে সাথেই বাস থেকে নেমেই ঐ ছিনতাইকারীর পেছনে ধাওয়া করেন।

কিন্তু ছিনতাইকারী ততক্ষণে হাওয়া। ঠিক এই যখন ঘটনা, তখন ওই তরুণীর চোখে পড়ে আরেকটি ছিনতাইয়ের দৃশ্য। এক নারীর ব্যাগ ছিনতাই করে পালাচ্ছিল অপর একজন ছিনতাইকারী।

আর তখনই ধাওয়া করে ওই ছিনতাইকারীকে ধরে ফেলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী। তার একার সাহস দেখে অনেকেই এগিয়ে আসেন। ছিনতাইকারীকে ধরে সহসাই পুলিশে দেননি। তার মাধ্যমে ফোন ছিনতাইকারীকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করেন। কৌশলে ধরতে সমর্থ হন।

তবে একাই দুই ছিনতাইকারীকে ধরিয়ে দিলেও থানা পুলিশের আশানুরূপ সহায়তা পাননি বলে দাবি করেন ঐ শিক্ষার্থী। বুধবার মিরপুর থেকে বাসে করে পুরান ঢাকায় যাওয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে। কৌশলে ছিনতাকারীকে ধরতে সহায়তা করেন মানবজমিন পত্রিকার সাংবাদিক জীবন আহমেদ।

দুই ছিনতাইকারীকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ এসে ছিনতাইকারী দুইজনকে থানায় নিয়ে যায়। এসময় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকেও পুলিশের সঙ্গে থানায় যেতে হয়।

একটি ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়- পুলিশের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করে ওই তরুণী বলছেন, দুই দুইজন ছিনতাইকারীকে ধরিয়ে দেওয়ার পরেও পুলিশ যদি আমার মোবাইল ফোন উদ্ধার না করতে পারে এরচেয়ে দুঃখজনক আর কিছু নেই। আমি একজনকে ধরে তার কাছ থেকে কথা নিয়ে আরেক ছিনতাকারী ধরে ফেললাম। আর আপনারা দুইজনকে পেয়েও ফোন উদ্ধার করতে পারছেন না? এ সময় একজন পুলিশ সদস্য বলেন, আমরা চেষ্টা করবো। চেষ্টা করছেন-বলে তরুণী ফের ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.