আমাকে রুলির গুন্ডারা মেরে শেষ করে দিছে, মৃত্যু যন্ত্রণায় ছটফট করার সময় বাবাকে বলে যান

পরিকল্পিত হত্যা নাকি ভিন্ন কিছু? পুলিশ আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করালে কে বা কাহারা আহত করেছে পরিবার জানতে চায় সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ থানার আফতাব আলীর পুত্র মিছবাহ উদ্দিন(৪৬) গতকাল সিলেট

ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন। জানা যায় মিছবা উদ্দিন নিজ বাড়ি থেকে সিলেট শহরে আসেন বাক্তিগত কাজে। এর পর গত ১৮ জুলাই সোমবার

একটি মোবাইল ফোনে মিছবাহ উদ্দিনের বাবার নম্বরে কল দেয়া হয় তিনি না দেখার কারনে ফোনটি ধরতে পারেননি এরপর স্থানীয় মেম্বার আব্দুর রউফের কাছে ফোন দেয়া হয় মেম্বারের থেকে সংবাদ জানার পর মিছবা উদ্দিনের বাবা সেই নম্বরে কল দিয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলে সিলেট কোতোয়ালি থানার বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ির

পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয়ে জানানো হয় মিছবা উদ্দিনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি করেছে শরীরে আহতের কিছু চিহ্ন আছে বিস্তারিত হাসপাতালে গেলে জানতে পারবেন। হাসপাতালে গিয়ে মিছবাহ উদ্দিনের বাবা, চাচাত ভাই, ফুফা গিয়ে দেখেন অভিবাবক ছাড়া বিনা চিকিৎসায় করুন অবস্থায় আছেন এরপর

ভাল চিকিৎসার জন্য ডাক্তারদের কাছে ছুটতে থাকেন। মৃত্যু যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকেন ডিউটি ডাক্তাররা জানান বড় ডাক্তার সকালে আসবেন এখন যা চিকিৎসা চলছে তাই। এমন সময় মিছবাহ উদ্দিন তিনির পিতাকে বলেন আমাকে নিয়ে এত দৌড়াদৌরি করছেন কেন আমার আর সময় নাই আমাকে রুলির গুন্ডারা মেরে শেষ করে দিছে।

উল্লেখ্য যে ডাক্তার রুলি হচ্ছেন মিছবাহ উদ্দিনের সাবেক স্ত্রী ডাক্তার রুলি। তিনি বর্তমানে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গাইনি বিভাগে চাকুরীরত। জানা যায় মিছবাহ উদ্দিনের সাথে প্রায় চার বছর আগে রুলির ডিভোর্স হলেও মিছবাহ উদ্দিন তিনির সন্তানদের জন্য পাগল প্রায় ছিলেন। মাঝে মধ্যে সন্তানদের দেখার জন্য বাসায় চলে যেতেন যদিও রুলির বাধার কারনে দেখতে পারতেননা। মিছবাহ উদ্দিনের প্রবাসী ভাই জাবেদ আহমেদ আমাদের বিস্তারিত জানিয়ে কান্নারত অবস্থায় বলেন ভাই মরার আগে বাবাকে বলে গেছেন রুলির গুন্ডারা মেরে শেষ করে দিছে। তিনি বলেন আমার ভাই প্রায় ই তিনির সন্তানদের দেখার জন্য রুলির বাসায় চলে যেতেন যা রুলি বা তার বর্তমান স্বামী কেউ মেনে নিতেননা এভাবে অনেকবার গেছেন আগেও আমরা জানতে পেরেছি।

এখন আমার ভাই বলে গিয়েছেন রুলি গুন্ডা দিয়ে মারাইছে অন্যদিকে যে পুলিশ আমাদের ফোন দিয়েছেন তাকেও পাচ্ছিনা তিনিকে কল দিলে বলেন তিনি ছুটিতে যাচ্ছেন বাড়িতে যদি আপনাদের সন্দেহ হয় হত্যা, তাহলে ওসি সাহেবের সাথে যোগাযোগ করুন। তিনি আরও বলেন আমার বৃদ্ধ বাবা থানায় গিয়েছিলেন সেইসময় সাবেক স্ত্রী ডাক্তার রুলিও গিয়েছেন থানায় পুলিশের সাথে কথা বলেছেন ডাক্তার রুলি বলেন ওসমানীর ডাক্তার নাকি প্রাথমিক হাসপাতালের ছাড় পত্রে লিখেছেন হার্টঅ্যাটাক করেছেন তাহলে এখন আর এইসব করে লাভ কি। আমাদের প্রতিনিধির সাথে কথা বলার সময় গভীর রাত হবার কারনে পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট অন্যান্যদের সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি, এছাড়া মুল ঘটনা গভীরে অনুসন্ধান করা যায়নি সম্পূর্ণ তথ্য জাবেদ আহমদের থেকে পাওয়া । বিস্তারি্ত আসছে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.