সেই তথ্য দিতে সময় চেয়েছে ঢাকা

সংবাদ: বছরব্যাপী সংঘটিত গুম-খুন তথা স্পর্শকাতর ঘটনাগুলো এবং এ নিয়ে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে তথ্য দিয়ে সহায়তাকারী ব্যক্তি এবং মানবাধিকার সংগঠনের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আচরণ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের বক্তব্য চেয়েছিল জাতিসংঘ। সুনির্দিষ্টভাবে কিছু ঘটনার কথা উল্লেখ করে ১৫ই জুলাই’র মধ্যে ঢাকাকে জবাব দিতে সময় বেঁধে দিয়েছিল সংস্থাটি। কিন্তু ঢাকা সেই সময়ের মধ্যে জবাব দিতে পারেনি বরং ওই সময়ে দেশে ঈদুল আজহার ছুটি থাকার কথা জানিয়ে বাড়তি সময় চেয়েছে ঢাকা। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মাসুদ বিন মোমেন জানিয়েছেন বাংলাদেশের অনুরোধে কিছুটা সময় বাড়িয়ে দিতে সম্মত হয়েছে জাতিসংঘ। কতদিন বাড়িয়েছে তা প্রকাশ না করলেও সচিব এটা নিশ্চিত করেছেন যে, বর্ধিত সময়ের মধ্যেই বাংলাদেশের বক্তব্য লিখিত আকারে জমা দেয়া হবে। নির্ধারিত ডেটলাইনের মধ্যে বাংলাদেশের জবাব না দেয়ার কারণ ব্যাখ্যায় সচিব বলেন, জাতিসংঘ যেসব কেসের বিষয়ে জানতে চেয়েছে সেটি যে মন্ত্রণালয় বা বিভাগ দেখভাল করে তাদের কাছে আপডেট চেয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। দ্রুত তথ্য সরবরাহে সংশ্লিষ্টদের তাগিদও দেয়া হয়েছে। কিন্তু তারা এখনো তা পাঠাতে পারেননি। সচিব বলেন, ঈদের বন্ধসহ নানা কারণে সব উপাত্ত পেতে আমাদের কিছুটা সময় লাগার বিষয়টি জাতিসংঘকে জানিয়েছি এবং তারা তা আমলে নিয়ে আমাদের কিছুটা সময় বাড়িয়ে দিয়েছে। পররাষ্ট্র সচিব এ-ও বলেন, অনেক সময় যে ফরম্যাটে জাতিসংঘ জবাব চায়, সেই ফরম্যাটে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা থেকে উত্তরগুলো পাওয়া যায় না।

তখন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ফরম্যাটিং করে। এতেও খানিকটা সময় লাগে। বিলম্বের বিষয়ে সচিব মাসুদ বিন মোমেন আরও বলেন, সময়টা যাতে আরও কমিয়ে আনা যায়; ধরেন এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় গেল, সেখানে ওইটা আবার যাচাই-বাছাই হলো তিনদিন। সেখানে আবার চেঞ্জ হলো। সেখানে আবার চারদিন। এভাবে পাঁচ-সাতদিন চলে যায়। এজন্য শেষের দিকে প্রায় যখন তৈরি হয়ে যায়, তখন অতিরিক্ত ৮-১০ দিন লাগায় ডেটলাইন মিট করতে কষ্ট হয়। এ সমস্ত জটিলতা বা সমন্বয়ে সরকারের অভ্যন্তরীণ সিস্টেমে আরও উন্নতি দরকার বলে মনে করেন পররাষ্ট্র সচিব।

Leave a Reply

Your email address will not be published.