একজন স্ত্রীর চাহিদা তখনই বেড়ে যায় যখন…

স্বামী-স্ত্রীর পারস্পারিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে বিশ্বাস ও আস্থার ওপর। দুজনের মধ্যের সম্পর্ক কেমন হবে তা তাদের নিজেদের ওপরেই নির্ভর করে।

দুজনে দুজনকে সমান গুরুত্ব দিলে, বিশ্বাস করলে সম্পর্কে ছেদ পড়ার তেমন কোন সম্ভাবনা থাকেনা। দুজনের এই মধুর সম্পর্ককে আমরণ টিকিয়ে রাখতে

দুজনেরই কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। একজন আরেকজনের ভালো-মন্দ, নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসহ সবকিছুর দেখাশোনা করতে হবে। পরিস্থিতি যাই হোক না কেন একজন যেনো আরেকজনকে কখনো

ছেড়ে না যান সেই পরিমাণ মজবুত হতে হবে সম্পর্কের ভিত। জীবনে চলার পথে অনেক সমস্যা আসবে এইটা স্বাভাবিক। কিন্তু যে ঝড়, ঝাপটাই আসুক না কেন দুজন মিলে তা সমাধানের চেষ্টা করতে হবে।

আর যদি তা করা না যায় তাহলে তাদের মধ্যে দুরত্ব বেড়ে যাবে। এ নিয়ে সমাজে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেক আলোচনা হয়ে থাকে। বিভিন্ন পোস্টও দেখা যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। তেমনি একটি পোস্ট তুলে ধরা হলো-

“একজন স্ত্রীর চাহিদা তখনই বেড়ে যায় যখন স্বামীর সাথে তার দুরত্ব বেড়ে যায়। তখন সে গহনা, শাড়ি, দামী জিনিস এসবের প্রতি ভালোলাগা খুঁজে পায়।

-“স্ত্রী হলো মাটির মত আর ভালোবাসা হলো জল,
আপনি দুটোকে একসাথে মিশিয়ে ইচ্ছে মত আকৃতি দিতে পারবেন। “আপনার স্ত্রী কখনোই আপনার কাছে লক্ষ্য টাকা দামের জিনিস চাইবেনা, যদি আপনি মাঝে মধ্যে স্ত্রীকে নিয়ে রাস্তার পাশে ৩০ টাকা দামের ফুচকা খান।

“আপনার স্ত্রী কখনোই আপনাকে বলবেনা, আমাকে দামী গাড়ী কিনে দাও, যদি আপনি মাঝে মধ্যে স্ত্রীকে নিয়ে হুট খোলা রিকশায় এই শহরটা একটু ঘুরে বেড়ান। “পুরো সংসারের কাজ করার পরেও আপনার স্ত্রী বলবেনা আমার কষ্ট হচ্ছে,
যদি আপনি আপনার স্ত্রীর কে ভালোবেসে কপালে একটা চুমু খান, তাঁর কাজে একটু হাত বাড়ান এবং বলেন সারাদিন অনেক করেছো।

“ভালোবাসা তো শুধু দামী জিনিসের মধ্যেই লুকিয়ে থাকেনা, “মাঝে মধ্যে ভালবাসা ১৫ টাকা দামের গোলাপ আর রাস্তার পাশে বিক্রি হওয়া ৩০ টাকা দামের কাচের চুড়ির মধ্যেও লুকিয়ে থাকে, কেয়ার থাকলে সংসার যুদ্ধ ক্ষেত্র না হয়ে, হবে স্বর্গ…..

তাই নিজের স্ত্রীকে ভালবাসাটা দিন….!

Leave a Reply

Your email address will not be published.