আওয়ামী লীগের শীর্ষ দুই নেতার হাতাহাতি, আহত…

রাজনীতি: পটুয়াখালীর গলাচিপায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপজেলা আওয়ামী লীগের দুই শীর্ষ নেতার মধ্যে জনসভাস্থলে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় উপজেলার উলানিয়া বন্দরে শেখ রাসেল স্কয়ার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের

চেয়ারম্যান মোহম্মদ সাহিন এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মো. ওবায়দুল ইসলামের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক সন্তোষ দে। এর আগে মঙ্গলবার রাতেই এডভোকেট মো. ওবায়দুল ইসলাম বাদী হয়ে সাহিনের বিরুদ্ধে গলাচিপা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন।

থানার সাধারণ ডায়েরি সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেলে গলাচিপা উপজেলার উলানিয়া বন্দরে শেখ রাসেল স্কয়ারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ছিল। এ অনুষ্ঠানমঞ্চে উঠার আগেই উপজেলা ওবায়দুল ইসলাম এবং মোহম্মদ সাহিনের মধ্যে তুচ্ছ ঘটনা

নিয়ে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে ওবায়দুলের উপর মোহম্মদ সাহিন চড়াও হয়ে চড়-থাপ্পড়, কিল-ঘুষি মারেন বলে অভিযোগ করা হয়। এসময় অন্য নেতা-কর্মীরা পরিস্থিতি সামাল দিয়ে পরিবেশ শান্ত করেন।

এ প্রসঙ্গে ওবায়দুল ইসলাম বলেন, আমাকে দেখা মাত্র সাহিন ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন। কিছু বুঝে উঠার আগেই সে আমাকে চড়-থাপ্পড়, কিল-ঘুষি মারে। পরে আমাকে উপজেলার যে জায়গায় দেখবেন সেখানে মেরে ফেলার হুমকি দেন।

এ বিষয়ে সাহিন বলেন, ছোট ভাই গলাচিপা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আল মামুনকে নিয়ে কটূক্তি করে ওবায়দুল। তার (ওবায়দুল) সাথে আমার ব্যক্তিগত সম্পর্ক ভালো। তাই তার কাছে বিষয়টি জানতে চ্ইালে সে আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে তেড়ে আসে। আমি তাকে থামানোর চেষ্টা করেছি।

ঘটনা সম্পর্কে গলাচিপা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আল মামুন বলেন, আমি মোবাইলে কোনো বক্তব্য দেব না। সামনাসামনি সব কথা জানাবো। এ প্রসঙ্গে গলাচিপা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক সন্তোষ দে বলেন, ‘বিষয়টি আমরা জেলা ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগকে জানিয়েছি। এ ব্যাপারে দলীয় আলোচনা করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published.