ঈদের দিনও কচুরি পাতা রান্না করছি, নাতনিডা একটুকরা মাংসের জন্য কান্নাকাটি করছে

ঈদের আমেজ এখনো শেষ হয়নি। সারা দেশে পশু কুরবানি হয়েছে। ঈদ আমাদের জীবনে অনাবিল আনন্দ সুখ শান্তি বয়ে আনে৷

তবে ঈদ মানে আনন্দ হাসি খুশি হলেও সকলের মনে ঈদের আনন্দ বিরাজ করে না। সমাজের প্রভাবশালী বা ধন সম্পদের মালিকরা একের অধিক পশু

কুরবানী দিলেও আমাদের দেশে অনেক পরিবার রয়েছে যারা ঈদের দিন মাংস পর্যন্তও খেতে পারে না। এমনই এক অসহায় বৃদ্ধার সঙ্গে কথা হয়েছে

একটি যুব সংগঠনের। যারা এই ঈদে অসহায় মানুষদের ব্যাপকভাবে সাহায্য সহযোগিতা করেছে। এ সময় সেই বৃদ্ধা জানিয়েছেন তার দুঃখের কাহিনী। জানিয়েছেন ঈদের দিন

তার নাতনির মুখে তুলে দিতে পারেনি দু টুকরা মাংস। “ঈদের দিনেও কচুপাতা রান্না করছি, কিন্তু আমার নাতনিডা সকাল থেইকা গোস্তোর জন্য কান্নাকাটি করতাসে, মন খারাপ কইরা বইসা আছে”

একমাত্র নাতনি অনেকদিন থেকেই গরুর মাংস খেতে চাচ্ছিলো। এই সামনের সপ্তাহেই এনে দেবো- কান্না জনিত কন্ঠে এই সামনের মাসেই মাংস খাওয়াবো বলে আশা দিচ্ছিলেন শিশুটিকে। এবারের ইদে খুব করে চাইছিলেন নাতনীকে একটু মাংস এনে দেবেন, অনেকদিনের শখ পূরণ হবে ছোট্ট মেয়েটার।

কিন্তু বিধিবাম, সকাল থেকে কোথাও মাংস পেলেন না, মন খারাপ করে বসে ছিলেন নানী-নাতনি।অবশেষে সেই যুবসংগঠনের কাছ থেকে মাংস আর রান্নার সরঞ্জাম পেয়ে ওঁদের খুশি দেখে কে? অনেকদিন পর নাতনিকে মাংস খাওয়াতে পেরে নানী এখন মহাখুশি!

আমাদের উচিত এভাবে সবসময় অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো। বর্তমানে দেশে অসংখ্য অরাজনৈতিক সংগঠন রয়েছে যারা দেশের অসহায়দ্রদের পাশে দাঁড়াচ্ছে বিশেষ করে বন্যার এই ভয়াবহ সময় তারা ত্রাণ সামগ্রী দিয়ে ব্যাপক সাহায্য সহযোগিতা করেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *