আখাউড়া জংশনে পাগলবেশে এই ব্যক্তি কে? যা জানা গেল…

সংবাদ: বলিষ্ঠ দেহ, মাথায় আধা কাঁচা-পাকা লম্বা চুল, মুখ ভর্তি দাড়ি-গোফ, পরনে নোংরা ছেঁড়া কাপড় আর কাঁধে বস্তা।

বেশভুষা পাগলের মতো। পাগল বেশে আখাউড়া-আগরতলা সড়ক ধরে সীমান্ত এলাকাসহ আখাউড়া স্থলবন্দর ও আখাউড়া রেলওয়ে জংশন স্টেশনে এলোমেলো ঘুরে বেড়ান এক ব্যক্তি।

রহস্যময় লোকটি পাগলের বেশে থাকলেও প্রায় সাধারণ মানুষের মতই চলাফেরা করেন, কথাও বলেন স্বাভাবিক। পরিচয় জিজ্ঞেস করলে প্রথমে ঘোড়াশাল এলাকার বাসিন্দা বললেও

পরে নিজেকে নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলার দাউদপুর গ্রামের বাসিন্দা বশিরুল হকের পুত্র বলে দাবি করেন তিনি। নাম জিজ্ঞেস করলে সাবলীলভাবেই বলেন, আমিরুল হক রাজা।

নারায়ণগঞ্জ তার কাছে ভালো লাগে না, তাই দূরে সীমান্তবর্তী আখাউড়াতে এসে বেশ সুখেই আছেন বলে জানান তিনি। স্থানীয়দের দাবি, প্রায় বছর পাঁচেক ধরে এই ব্যক্তিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর

সীমান্ত এলাকাসহ আখাউড়া-আগরতলা সড়ক ও আখাউড়া রেলওয়ে জংশন স্টেশনে তাকে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যাচ্ছে। দিনরাত বস্তা কাঁধে নোংরা জামাকাপড়ে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায় তাকে। রেলওয়ে জংশন স্টেশনে রাত্রীযাপনের কথা বললেও আখাউড়া স্টেশনে কেউ কখনও ঘুমোতে দেখেনি তাকে। তাছাড়া খাওয়া দাওয়া করতেও দেখেননি কেউ।

বলিষ্ঠ শরীরে মাথায় লম্বা চুল, মুখ ভর্তি দাড়ি-গোঁফ, পরনে নোংরা ছেঁড়া কাপড় আর কাঁদে বস্তা দেখে যে কারোই মনে হবে সে নিশ্চই পাগল। কিন্তু এই ধারণাটি ভুল বলেই দাবি করছেন স্থানীয় অনেকে। কেউ কেউ তাকে গোয়েন্দা সংস্থা, ফেরারি আসামি কিংবা রাষ্ট্রবিরোধী জঙ্গি সংগঠনের লোক বা কোনো অপরাধী বলেও সন্দেহ করে। অনেকে আবার স্থানীয় প্রশাসনকে আহ্বান করছে তার পরিচয় খতিয়ে দেখার।

Leave a Reply

Your email address will not be published.