আমরা বাইকে বাড়ি যেতে চাই, ২ লেডি বাইকারের বক্তব্য ভাইরাল (ভিডিও সহ)

পদ্মা সেতু ও আন্তঃজেলা বাইক চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে শরীয়তপুরের বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা শতাধিক বাইকাররা।

বুধবার (৬ জুলাই) দুপুরে পদ্মা সেতুর জাজিরা প্রান্তের টোল প্লাজার সামনে এ মানববন্ধন হয়। তবে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন করেন তারা। এ সময় তাদের হাতে বিভিন্ন দাবি-দাওয়া সম্বলিত ব্যানার ছিল। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আমরা সবাই চাতক পাখির মতো বসেছিলাম, কবে পদ্মা সেতু হবে।

ফেরিতে আমাদের ভোগান্তি কমবে। কিছু বিশৃঙ্খলাকারীদের কারণে আজ পুরো পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

তারা আরও বলেন, আমরা যারা স্বপ্ন দেখতাম, ঢাকা গিয়ে অফিস করব বা পড়াশোনা করব বা দিনে গিয়ে দিনে চলে আসব সেটা হচ্ছে না।

আমরা সাধারণ কর্মমুখী মানুষ আজ ভোগান্তিতে পড়েছি। তাই মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ না করে যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

এই সময় একজন বলেন, আমরা বাইকে বাড়ি যেতে চাই, কারণ কি জনেন? আমারা যখন বাসে ট্রাভেল করি তা কতটুকু কষ্ট কর? আর এই ফিটনেস বিহীন বাস গুলাতে আমার কতটুকু নিরাপদ?

এক্সিডেন্ট যে শুধু বাইকে হয় এমনটা না, এক্সিডেন্ট সবক্ষেত্রেই হতে পারে, লঞ্চও যেমন ডুবে যায় ঠিক সেরকম ভাবে ট্রাক এক্সিডেন্ট করে, বিমানও ক্রাস হয়। সবক্ষেত্রে বাইক যে এক্সিডেন্ট করবে এরকম ধারণা থেকে বের হয়ে আসা উচিৎ।

সেফটি মেনটেন করে প্রপার ট্রাফিক আইন মেনে বাইকারকে অবশ্যই তার বাইক নিয়ে বাড়িতে যেতে দেওয়া আমাদের একান্ত দাবি এবং সরকার আমাদের এই দাবি সে ভাবেই দেখবেন।

আরেক জন লেডি বাইকার বলেন, সরকারের কাছে আমার একটাই অনুরোধ থাকবে এবং সবার একই কথা যেন আমার সেফটি মেন্টেন করে হেলমেট সেফটি গার্ড এবং ট্রাফিক যে আইন গুলো আছে সেগুলা মেনে আমার যেন সবাই বাড়ি যেতে পারি। এবং আমাদের স্বপ্ন যেন পূরণ করতে পারি ঈদ যেন পরিবারের সাথে করতে পারি।

আমার যারা প্রাইভেট সেক্টর এ কাজ করি ঈদের ২ দিন আগে অফিস ছুটি হবে, সে ক্ষেত্রে আমারা কিন্তু বাস, ট্রেন বা এয়ারের টিকেট কিন্তু আমারা পাবো না। এই অবস্থায় আমার যাতায়াত সুন্দর এবং সহজ হবে একটা বাইকের মাধ্যমে। আমার নিরাপত্তা আমার কাছে। সুতরাং সরকারের কাছে আমাদের একটাই অনুরধ এটা যেন বন্ধ না করে।

আন্তঃজেলা বাইক চালানো যাবে না বা মহাসড়কে বাইক চালানো যাবে না- এই ধরনের কথাবার্তা আমার কাছে হাস্যকর এবং অমূল্য ভিত্তিহীন মনে হচ্ছে। কারণ আমার যখন বাইক কিনি তখন সরকারকে ট্যাক্স দেই। এবং রাস্তায় বের হওয়ার পর রেজিস্ট্রেশন করছি। আর রেজিস্ট্রেশন দিচ্ছে বিআরটিএ, আর পেপার মধ্যে কোথাও লেখা নাই বাংলাদেশের অমুক অমুক জায়গায় আপনি খেতে পারবেন না।

সেই ভিডিও দেখতে এখানে ক্লিক করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.