কুরবানির পশুর নাম হিরো আলমের পর এবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জায়েদ খান, অতঃপর…

অন্য সব উৎসবের থেকে ঈদুল আযহার গুরুত্ব মুসলমানদের কাছে সবসময় বেশি। পবিত্র ঈদুল আযহায় কুরবানির গরু নিয়েও আগ্রহ থাকে সবার মাঝে।

এদিকে গত কয়েক বছর ধরে কুরবানীর সময় একটি বিষয় খুবই লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আর সেটি হচ্ছে কুরবানির পশুর হরেক রকম নাম। বিশেষ করে বিভিন্ন নায়ক বা জনপ্রিয় মানুষদের নামের সাথে

মিল করে এই কুরবানীর পশু গুলোর নাম রাখা হচ্ছে। এদিকে বগুড়ায় কুরবানির পশুর নাম হিরো আলম রাখার পর এবার বাহ্মনবাড়িয়ায় পাওয়া গেল জায়েদ খানকে। ক্রেতাদের কাছে আকর্ষণীয় করতে বড় আকারের গরুগুলোকে বস,

রাজাবাবু, টাইগারবাবুসহ বিভিন্ন নাম দিয়ে থাকেন খামারিরা। তবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার লাউরফতেহপুর ইউনিয়নের হাজীপুর গ্রামের খামারি ইউনুস মিয়া তার এক গরুর নাম রেখেছেন জায়েদ খান।

ষাঁড় গরুটির ওজন ৬০০ কেজিরও বেশি। নবীনগর উপজেলার আহাম্মদপুর পশুর হাটে বিক্রির জন্য তোলা হয়েছে ‘জায়েদ খানকে’। বাংলা চলচ্চিত্রের আলোচিত-সমালোচিত অভিনেতা জায়েদ খানের নামে নাম রাখা গরুটিকে দেখার জন্য হাটে ভিড় করছেন উৎসুক জনতা।

গরুটির দাম চাওয়া হচ্ছে ৩ লাখ টাকা। তবে এখন পর্যন্ত জায়েদ খানের দাম উঠেছে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা। খামারি ইউনুস মিয়া জানান, এবার কুরবানির পশুর হাটে তোলার জন্য তার খামারে ২০টিরও বেশি গরু পালন করেছেন। খামারের বড় গরুগুলোকে ক্রেতাদের কাছে আকর্ষণীয় করতে বিভিন্ন নাম দেয়া হয়েছে। জায়েদ খানের নামও আকর্ষণের জন্যই দিয়েছেন বলে জানান তিনি।

উল্লেখ, পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এবার শতাধিক কুরবানির পশুর হাট বসবে। এসব হাটে অন্তত ৭০০ কোটি টাকার পশু বেচাকেনা হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কুরবানির জন্য পশুর চাহিদা আছে ১ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.