ভেবেছে জা’লিম, করেছে তোমার কণ্ঠ রুদ্ধ- পেরেছে কি তোমার আদর্শকে করতে স্তব্ধ?

একজন বাংলাদেশী ইসলামী পণ্ডিত, বক্তা এবং রাজনীতিবিদ ও প্রাক্তন সংসদ সদস্য আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী। যিনি ১২ জুন ১৯৯৬ থেকে ২৯ ডিসেম্বর ২০০৮ পর্যন্ত একজন সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী দীর্ঘ ১২ বছর যাবৎ কারাগারে বন্দী জীবন যাপন করছেন। বর্তমানে তার বয়স ৮৩ বছর। জীবনের শেষ মূহুর্তে তিনি আজ কারাগারে কঠিন জীবন

যাপন করছেন। বার্ধক্য, নানান জটিল রোগে ও অসুস্থতার মধ্যে তিনি ঝুঁকিপূর্ন অবস্থায় আছেন। তিনি বয়স জনিত কারনে ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছেন।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর ছেলে মাসুদ সাঈদী তার পেজে একটি স্ট্যাটাস দেন যা ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে এবং মাসুদ সাঈদীর পেজ থেকে তার এই স্ট্যাটাসটি বিভিন্ন গ্রুপে গ্রুপে এবং অনেক পেজে কপি করতে দেখা যায়। যা পাঠকদের উদ্দেশ্যে হুবহু তুলে ধরা হলো:-

ভেবেছে জা’লিম করেছে তোমার কণ্ঠ রুদ্ধ, পেরেছে কি আদর্শকে তোমার করতে স্তব্ধ? তুমি তো আছো কোটি মানুষের হৃদয়ের গহীনে, অমানিশায় দেখছে আলো তোমারি মশালের প্রজ্বলনে!

জ্বলছে জা লিম কোটি হৃদয়ের অভিশাপের অনলে, জা লিম থাকবে চিরকাল মজলুমের রোষানলে। আবার তুমি হবে মুক্ত গাইবে কোরআনের গান তোমারি কণ্ঠে ধন্য হবে তৃষিত মোদের প্রাণ! ওগো রহিম রহমান! ফরিয়াদ মোদের কবুল করো, মুক্ত সাঈদীকে মোদের কর দান।

উল্লেখ্য, মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে আমৃত্যু কারাদণ্ডের আদেশ ইফার যাকাত তহবিলের ১ কোটি ২৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এই মামলা হয়। ২০১০ সালের ২৪ মে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলাটি করেন ফাউন্ডেশনের সাবেক পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) আইয়ুব আলী চৌধুরী।

তদন্ত শেষে দুদকের সহকারী পরিচালক ওয়াজেদ আলী গাজী ২০১২ সালের ৩০ এপ্রিল আদালতে মামলাটির অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এদিকে ২ কোটি ২৭ লাখ ৪০ হাজার ১২০ টাকার আয় গোপন, ও তার ওপর প্রযোজ্য ৫৬ লাখ ৪৬ হাজার ৮১২ টাকা কর ফাঁকির অভিযোগে ২০১১ সালের ১৯ আগস্ট সাঈদীর বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। পরের বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর সাঈদীর বিরুদ্ধে এই মামলায় চার্জ গঠন করেন আদালত। ২০১৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারিতে মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে সাঈদীকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেন আপিল বিভাগ। ২০১০ সালের ২৯ জুন সাঈদী গ্রেফতার হন ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগে। পরে ২ আগস্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.