মু’মূর্ষু মৃ’ত্যুর ঘন্টায় ছাত্রলীগ নেতাদের কাছে অবহেলিত, ছাত্রলীগ নেতা

মেশকাত হোসেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের উপ-প্রশিক্ষন বিষয়ক সম্পাদক, ভীষণ অসুস্থ, কোন নেতা খোঁজ নেননি নিজে কেন্দ্রীয় কমিটির নেতাদের ফোন করেন তিনির ফোন রিসিভ করেননি এমন অভিযোগ করে আজ তিনির ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্ট করেন

তা হুবহু তুলে ধরছিঃ জীবনটা নিভু নিভু, আল্লাহর কাছে স্বাভাবিক মৃত্যু কামনা করছিলাম। গত ১৪ তারিখে আমি খুবই অসুস্থ হয়ে পড়ি। এক মেডিকেল থেকে আরেক মেডিকেলে দৌড়াদৌড়ি আমাকে নিয়ে। আমার সাথে আমার বন্ধু কামাল,মিলন ও সিলেটের ছোট ভাই

মুন্না ছিলো। দিশেহারা হয়ে গেছিলাম জীবন যায় যায়। ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকে বারে বার ফোন দেই কিছু একটা করার জন্য কিন্তু তারা ফোন ধরেনি। আমি ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির একজন নেতা ফোন তো কোন কাজের জন্যই দিতে পারি। এতে বুঝা যায়

আমরা মরলেও তাদের সমস্যা নাই। আমার লেখারও অতো শক্তি নেই শুধু একটা কথা বলি অনেকে অসুস্থ হলে ভিডিও কলে খোঁজ নিতে দেখা যায় নেতাদের এটা মূলত সো আপ, আবার কিছু দালালরা আছে তা পোষ্টও করে।

আমার পরিবারের কাছে আমি অসিয়ত করে গেছি আমি যদি মারা যাই তাহলে ছাত্রলীগ থেকে কোন প্রেস রিলেজ দিবে না এবং দায়সারা কোন দোয়ারও প্রয়োজন নেই ছাত্রলীগ থেকে। জীবনে যেই পার্টির জন্য এতো সময় ব্যয় করলাম,

সেই পার্টি আমার অসুস্থতারও খোঁজ নিতে পারে না।তারা খোঁজ নিতো যদি তাদের দালালি করতাম। যাই হোক আমার প্রতিবাদ থেমে গেলোও তৃণমূলের কোন না কোন কর্মী প্রতিবাদের কলম হাতে তুলে নিবে আশা রাখি। মেশকাত হোসেনের আইডি পোস্ট লিংক দেখতে এখানে