১২ বছরে তৈরী হলো ৫০০কোটি টাকার রাজপ্রাসাদ!!!

শুনে মনে হতে পারে এটি রাজধানীর কোন অভিজত্য এলকা বসুন্ধরার বা গুলসানের কোন রাজকীয় বাড়ি।কিন্তু না এটি বগুড়ার শিবগঞ্জের দেউলী ইউনিয়নের সরকার পাড়া গ্রামের একটি বাড়ি।দেখতে অনেকটা ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের মতই। কিন্তু প্রশ্ন এত বড় রাজপ্রাসাদ এই অজো পাড়াগায়ে কেমনে সম্ভব?. শ্বেত পাথারের এ বাড়িটি তৈরী করতে সময় লেগেছে ১২বছর।খরচ টাও আকাশচুম্বী ৫০০কোটি টাকা। শুধু তাই নয় এ বাড়ি দেখতে ভীড় জমায় অনেক দর্শণার্থী।

এমন কি এ জন্য বাড়ীর আশেপাশে গড়ে উঠেছে হোটেল মোটেল। প্রতিদিন হাজারো মানুষ ভীড় করে এ বাড়ী দেখতে। কে তৈরী করলো এ বাড়ী এ নিয়ে অনেকের মনেই বেড়েছে আগ্রহ। স্থানীয় সুত্রে জনা যাই,বাড়ীটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০০৬সালে তা শেষ হয় ২০১৮সালের শেষের দিকে। বাড়িটিতে থাকেন একজন মাত্র ব্যক্তি তাও তিনি বাড়ীর প্রকৃত মালিক নন। প্রকৃত মালিকের নাম সাখাওয়াত হোসেন টুটুল।তিনি গ্রামের মৃত আব্দুল হাইয়ের ছেলে।

তিনি এ বাড়ী তৈরীর খরচের কোন উৎস দেখাতে না পারার কারণে দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলায় জেলে আছেন। বাড়ির চারপাশে রয়েছে শ্বেত পাথরের খোদায় করা দেয়াল। প্রতিটি রুমে রয়েছে এয়ারকন্ডিশনে ব্যবস্থা। বাড়ির ভেতর ঢুকলে মনে হতে পারে এটি কোন পাঁচ তারকা হোটেল।। বাড়ির দরজা জানালা দামি কাঠের তৈরী।রয়েছে প্রচীন কারুকার্য। টুটুলের বড় ভাই জানান এই বাড়ির জন্য তার ভাইকে জেলে যেতে হয়ছে। ফলে এ সপ্নের এ বাড়িতে একটি দিন ও কাটাতে পারেন নি টুটুল।

Check Also

বাংলাদেশী কুকুর রান্না হচ্ছে ভারতের অভিজাত হোটেলে!!!!

দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে কুকুর পাচার হচ্ছে ভারতে।ভারতের মিজোরামের বিভিন্ন হোটেলে এসব কুকুর রান্না হচ্ছে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *